সিনিয়র প্রতিবেদক :
বেগম খালেদা জিয়া আমাদের আবেগ, আমাদের ভালোবাসা। তাঁর শেষ বিদায় জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ঢাকার দোহারে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দোহার ও নবাবগঞ্জ (ঢাকা-১) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এই সব কথা বলেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় ঢাকার দোহার উপজেলার ঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দোহার উপজেলা বিএনপি ও পৌরসভা বিএনপি এবং বিএনপির সকল অঙ্গ-সংগঠনের আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
খন্দকার আবু আশফাক বলেন, এদেশের মানুষের মুক্তি, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার এবং মা-বোনদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন। তিনি স্বামী ও ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছেন, বড় ছেলে তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকেছেন। এত কষ্টের পরও জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি আপস করেননি।
আরও সংবাদ পড়ুন : দোহারে প্যারাডাইম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এর আনুষ্ঠানিক যাত্র শুরু
আশফাক বলেন, “আপসহীন এই নেত্রী ছিলেন জনগণের নেত্রী। তাঁর জানাজায় সব শ্রেণি-পেশা ও সব ধর্মের মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে তিনি ছিলেন জাতির নেত্রী।
দোহারবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আজ এটি কোনো নির্বাচনী সভা নয়। তবুও বলতে চাই, আমি নির্বাচিত না হলেও আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।
আরও সংবাদ পড়ুন : দোহারের চর পুরুলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত (ভিডিওসহ)
দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম মেছের এর সভাপতিত্বে ও দোহার পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এস এম কুদ্দুস ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ আলম খন্দকার, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি রেজাউল কবির পল, কেন্দ্রীয় জাসাসের সাবেক সহ-সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন মোল্লা, ঢাকা জেলা বিএনপির বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবু তালেব সিকদার, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন রানা, ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রাহিম শিলা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ওয়াহিদুর রহমান বানী, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসেম বেপারী, তানভির আহমেদ সানুসহ আরও অনেকে।
পরে অনুষ্ঠান শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।



