মোঃ গোলজার হোসেন, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
কনকনে শীত, ঘনকুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বত্রই ইরি বোরো বীজতলা গুলো কোল্ড ইঞ্জুরিতে ভুগছে। এতে করে চলতি ইরি বোরো চারা রোপন মৌসুমে চারা বীজ সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা যায়, চলতি বছর উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে ২৬ হাজার ২‘শ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়। আর এজন্য ১ হাজার ৩‘শ হেক্টর জমিতে তৈরি হয় বীজতলা।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঘন কুয়াশা, কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়া প্রবাহিত হওয়ার কারণে বীজতলায় চারা বীজগুলো ফ্যাঁকাসে বর্ণ ধারণ করে ঝিমিয়ে পড়ছে। অনেক বীজতলায় চারা বীজগুলো মাটিতে মুটিয়ে পড়ে বিনষ্ট হচ্ছে।
এদিকে উপজেলার কৃষকরা চারাবীজ গুলো রক্ষার চেষ্টায় প্রচন্ড ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে তরিঘরি ইরি বোরো ধান রোপন শুরু করেছেন। সর্বানন্দ ইউনিয়নের মিলন, ছামছুল, ধোপাডাঙ্গার ছামছুল, কঞ্চিবাড়ীর আতোয়ার, মতিন, জর্জিস, খাদেম হোসেন, ছাপড়হাটির গোলজার হোসেনসহ অনেক কৃষক জানান, আবহাওয়ার এ অবস্থা চলতে থাকলে চারাবীজ সংকটের কারণে অনেক জমিতে ইরি বোরো ধান রোপন করা সম্ভব হবে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রাশেদল কবির জানান, যে সকল বীজতলায় চারা বীজ প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েছে সেগুলোর খুব একটা বেশি ক্ষতি হবে না। তবে কিছু কিছু বীজতলায় দেরিতে বীজ ফেলার কারণে সেগুলোর চারা বীজ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে বীজতলা গুলো রক্ষার জন্য কৃষকদের মাঝে পরামর্শ অব্যাহত রেখেছি।